পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, দরবারে তাঁদের কোনো বিষয় আছে কি না। তিনি জানিয়েছিলেন, তেমন কোনো বিষয় নেই। তবে আসরের নামাজের পর ইউনিয়নের বেশ কিছু মুসল্লি নিয়ে বৈঠক আছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে সকাল থেকেই কথা চলছিল। কিন্তু একপর্যায়ে বুঝতে পারি, ওই নেতার কথা সন্দেহজনক। তাঁকে জোর করে বলা হয় যে আপনাদের কোনো বৈঠক বা যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না দরবারে। ওই নেতা বারবার জানিয়েছেন, আসরের পর বৈঠকের কথা কিন্তু সেটা দরবারে না। ইতিমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম ফিলিপনগর গ্রামে টহল দিতে থাকে। দুই থেকে তিনজন পুলিশ সদস্য বেলা ১১টার দিকে দরবারেও উপস্থিত হয়। বেলা ২টা ৩৬ মিনিটের দিকে হঠাৎ করে গ্রামের পাকা সড়ক দিয়ে শতাধিক মানুষ দেশীয় লাঠিসোঁটা নিয়ে দরবারে গিয়ে হামলা চালাতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও দেখা গেছে।



Source link