আবদুস সামাদ জানান, তিনি টাকা দেন। সেই টাকা দিয়ে ছোট ছেলে প্রতিদিন পাঁপড় ও তেল কিনে আনেন। ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী পাঁপড় ভাজেন। এরপর ভাজা পাঁপড় দুটো দুটো করে পলিথিনের প্যাকেটে ভরে পলিথিনের মুখ পাটের সুতা দিয়ে বাঁধা হয়। পাঁপড়ের প্যাকেট একটি বড় প্লাস্টিকের বা অ্যালুমিনিয়ামের গামলায় সাজিয়ে তিনি গামলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন।

প্রতিদিন সকাল সাতটায় আবদুস সামাদ বাড়ি থেকে পাঁপড় নিয়ে বের হন। এরপর তিনি নওয়াপাড়া রেলস্টেশন, নওয়াপাড়া বাজার এবং নওয়াপাড়া বাজারের যশোর-খুলনা মহাসড়ক ধরে ঘুরে ঘুরে পাঁপড় বিক্রি করেন। বেলা একটা পর্যন্ত তিনি পাঁপড় বিক্রি করেন। কিন্তু সব পাঁপড় বিক্রি হয় না। অবিক্রীত পাঁপড় নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। গোসল করে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার বিকেল চারটায় তিনি বাড়ি থেকে পাঁপড় নিয়ে বের হন। রাত আটটা পর্যন্ত তিনি পাঁপড় বিক্রি করেন। কোনো কোনো দিন আগেই সব পাঁপড় বিক্রি হয়ে যায়।



Source link