নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে (১৪) শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর ছাত্রীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। হামলার ভিডিও দেখে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পলাতক। এ ঘটনার জেরে ছাত্রী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় মধ্যে রয়েছে।
থানায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই ছাত্রী পেটের ব্যথায় ভুগছিল। বিষয়টি তার দাদিকে জানানোর পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি দাদি তাকে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়েরের কাছে নিয়ে যান। ওই শিক্ষক কবিরাজি চিকিৎসা করেন। শিক্ষক কৌশলে ছাত্রীর দাদিকে বাইরে পাঠিয়ে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় ব্যক্তিরা মীমাংসার আশ্বাস দিলে ওই ছাত্রীর পরিবার মামলা করতে দেরি করে। কিন্তু শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ১৫ এপ্রিল পরিবারটি থানায় লিখিত অভিযোগ করে। পরে সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ওই শিক্ষক মামলা না করার জন্য নানাভাবে হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছে পরিবারটি।
