ক্রিস্টেনসেন বলেন, দুই দেশ অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সহযোগিতা করছে এবং অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য একটি ‘ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারত্ব’ গড়ে তুলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যক্ষ্মা, হামসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারত্বে কাজ করছি।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো বৃহত্তম দাতারাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে এবং এই সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তাঁর সময়কাল নিয়ে বলেন, তিনি জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন এবং পয়লা বৈশাখের উৎসব, ক্রিকেট, স্থানীয় খাবারসহ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে আনন্দিত।
