রুবেল: ধরুন, আমরা নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছি। আমি জানতাম, প্রথম দুটি ম্যাচ আমি খেলব না। ৩ নম্বর ম্যাচে সুযোগ পেলেও পেতে পারি। অর্থাৎ আমি আগে থেকেই জানি যে খেলব না! আবার যখন দেখতাম প্রথম দুই ম্যাচে আমরা হেরে গেছি, বোলাররা খারাপ করেছে, তার পরও আমি তৃতীয় ম্যাচে সুযোগ পাইনি, তখন কষ্টের শেষ থাকত না। আমাদের নাজমুল (নাজমুল হাসান) ভাইয়ের জীবনটিও এভাবেই গেছে। এক–দুই ম্যাচ খেলেই বাদ পড়ে যেতেন। আমার জীবনে আরও একটা ঘটনা আছে, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে। সেটিও আমি বিস্তারিত বলব না। আমি আসলে পরিস্থিতির শিকার। বিশ্বকাপ থেকে আমার দেশে চলে আসার অবস্থা হয়েছিল। ছোট একটি চোট ছিল; কিন্তু ওটা ভালো হয়ে গিয়েছিল, প্র্যাকটিস ম্যাচে বলও করছি। তারপরও…। যা–ই হোক, আমাকে হয়তো ওভাবেই দেখা হয়েছিল। সে জন্য প্রতিটি ম্যাচই আমার জন্য ছিল চ্যালেঞ্জিং। ‘আমাকে ভালো করতে হবে’—এই জিনিসটি আমার ভেতরে সব সময় কাজ করত। আমাকে যেভাবে বলত, আমি সেভাবেই করার চেষ্টা করতাম। বাংলাদেশ দলে আমার আগে স্লগ ওভারে কে বোলিং করতে চাইত? কেউ চাইত না। স্লগ ওভারে বোলিং করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। মুস্তাফিজের মতো আমার তো কাটার নেই। আমাকে আমার সীমিত সামর্থ্যের ভেতর থেকে সাফল্য বের করে আনতে হতো। ইয়র্কারের ওপরে আমার বিশ্বাস রাখতে হতো। সেটিতে না হলে স্লোয়ার নইলে বাউন্সার—এই তিনটিই আমার স্ট্রেন্থ।



Source link