ক্ষোভ প্রকাশ করে সামসুন নাহার প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোক হয়েও নূর হোসেনের টাকার কারণে যেভাবে সাতটি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের বিচারের রায় কার্যকরে কেন এক যুগ সময় লাগবে? দ্রুত রায় কার্যকরের উদ্যোগ এবং নিহত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি। মেয়েটি জন্মের পর তার বাবাকে দেখেনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সাতটি পরিবারকে ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবারের কর্তাব্যক্তিকে হারিয়ে সবাইকে অর্থসংকটে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।’
আলোচিত এই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাত খুনের ঘটনার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জসহ সারা দেশের মানুষের আবেগ জড়িত। আসামিপক্ষ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিশেষ ব্যক্তি হওয়ায় শুনানি দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। দ্রুত এই মামলার নিষ্পত্তি হবে, এটা নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও দেশের মানুষেরও প্রত্যাশা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘চূড়ান্ত বিবেচনায় ভুক্তভোগীরা যেমন বিচার পাবেন, তেমনি আসামিরাও ন্যায়বিচার পাবেন—এটা নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা যত দ্রুত সম্ভব, এই মামলার শুনানি সম্পন্ন করে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব।’
