২. কর দিয়ে কী হবে
এ দেশে উন্নয়নমূলকসহ সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। এর বড় অংশ জনগণকেই দিতে হয়। কিন্তু অনেক করদাতা মনে করেন, কর দিয়ে তো রাষ্ট্রের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণকর সেবা পাচ্ছেন না। তাই অনেকে কর দিতে উৎসাহিত হন না।
৩. হয়রানির শঙ্কা
সাধারণ করদাতাদের মধ্যে কর নিয়ে একধরনের ভীতি আছে। তাঁদের শঙ্কা—একবার করজালে ঢুকে গেলে প্রতিবছরই কর দিতে হবে। তাই লাখ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দিতে উৎসাহ পান না। অবশ্য হয়রানির বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না।
৪. জটিল হিসাবপদ্ধতি
করের হিসাব–নিকাশও বেশ জটিল। একজন সাধারণ নাগরিক বা স্বল্পশিক্ষিত করদাতার পক্ষে এই হিসাব–নিকাশ করা কঠিন। যেমন করমুক্ত আয়সীমার আয় বাদ দেওয়া, তারপর স্তরভিত্তিক আয়ের ওপর আলাদা করে করহার অনুযায়ী করের হিসাব করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং গণিতে পাকা হতে হবে। এ ছাড়া বাড়িভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসা ভাতার করমুক্ত সীমা জেনে হিসাব করতে হয়।
