‘সে কারণে আমাদের হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, বাজেটের ওপর চাপ পড়ার তেমন কারণ নেই,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান জানান, বর্তমানে সরকারের যতসংখ্যক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু আছে, তার সব কটির অর্থ সহযোগিতা যোগ করা হলে ফ্যামিলি কার্ডের পরিমাণ হবে না।

‘আমরা গবেষণা করে দেখেছি, অনেক ব্যক্তি আছেন, কয়েকটি সুবিধা একজন ব্যক্তি পাচ্ছেন। সেগুলোকে আমরা কাটডাউন করব, সব কটিকে কাটডাউন করব না। এভাবে করে ধীরে ধীরে নিয়ে যাব,’ পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ডে বিতরণ করা অর্থ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে কীভাবে ভূমিকা রাখবে, তা–ও তুলে ধরেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের কেউ বলছেন জামা-কাপড় কিনবে, কেউ বলছে বাচ্চাদের জন্য বই কিনবে। যে মানুষগুলো পাচ্ছে, তারা ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে। তাদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র দেশীয় কারখানায় তৈরি। ফ্যামিলি কার্ডের টাকা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ছড়াবে। এটা স্থানীয় শিল্পায়নে ভূমিকা রাখবে, কর্মসংস্থান বাড়াবে।



Source link