নিশ্চিত হতে ফুলটির ছবি তুলে প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক মোকারম হোসেনের কাছে পাঠানো হলো। তিনি বললেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, এটা কালো কস্তুরি বা মসুকদানা। গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গাছ।’

মোকারম হোসেনের লেখা ‘বাংলাদেশের পুষ্প-বৃক্ষ লতা-গুল্ম’ বইয়ে দেখা গেল, তিনি এই ফুলের নাম লিখেছেন কালো কস্তুরি বা মসুকদানা। গাছের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গাছ বর্ষজীবী, রোমশ ও ঝোপজাতীয়। পাতা ৩ থেকে ৫ লতিযুক্ত। ফুল হলুদ রঙের। মুক্ত, গভীর শিরাযুক্ত ও অসমান পাপড়ির সংখ্যা পাঁচ। বৃত্তে মেরুন রঙের গোলাকার ছাপ। বীজতৈল একসময় কস্তুরি বা মৃগনাভির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ফল দেখতে ঢ্যাঁড়সের মতো, পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। বীজ থেকে চারা হয়। ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, মাদাগাস্কার এবং মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় পাওয়া যায়। বিপন্ন নয়।’



Source link