পবা উপজেলার পারিলা গ্রামের কৃষক মনির হোসেন বলেন, তাঁর ধান এখনো কাঁচা। ধানের জন্যও সেচ দিচ্ছিলেন। বৃষ্টি হওয়াতে আর সেচের প্রয়োজন নেই। তাঁর বাগানের আমের জন্যও বৃষ্টি দরকারি ছিল।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে তেমন ঝড় ছিল না, শিলাবৃষ্টিও হয়নি। এটি আমের জন্য খুবই ভালো হয়েছে। এ ছাড়া পাটের জন্য বৃষ্টির দরকার ছিল। এই বৃষ্টিতে কৃষকের বেশ উপকার হয়েছে। মাঠে থাকা অন্য ফসলের জন্যও ভালো হয়েছে।
