চাষিরা হরিপুর ইউনিয়নের ডিলার আনারুল ইসলামের কাছ থেকে বীজ কিনেছেন। জানতে চাইলে আনারুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রায় ২০ জন চাষির কাছে এই ধানের বীজ বিক্রি করেছেন। সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি সব চাষির সই নিয়ে বিএডিসির উপপরিচালকের কাছে চাষিদের ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন।

বিএডিসি রাজশাহীর উপপরিচালক এ কে এম গোলাম সারওয়ার বলেন, দু–একজন তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি পবা উপজেলার হরিপুর মাঠে গিয়েছেন। তবে তিনি দাবি করেন, যে মাঠগুলো দেখেছেন, তাতে দুই রকম ধান ছিল। বিষয়টি ঢাকায় তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রধান কার্যালয়ে জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ রকম ঘটনা রাজশাহী ছাড়া আরও দু-এক জায়গায় হয়েছে। সেখানে তদন্ত কমিটি হয়েছে। তদন্ত হচ্ছে। তবে রাজশাহীতে এখনো হয়নি। তাঁরা রাজশাহীতে যতটুকু দেখেছেন, ব্রি ধান–৯২–এর সঙ্গে ব্রি ধান–৮৮ মিশে গেছে। ভিত্তিবীজে এ রকম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে কোথায় যে এই দুই রকমের ধান মিশে গেছে, সেটি তাঁরা ঠিক বুঝতে পারছেন না।



Source link