আন্তর্জাতিক তথ্য বলছে, লাখ লাখ তরুণ ইতিমধ্যে এর ওপর আসক্ত হয়ে পড়েছেন। এটি শুধু একটি পণ্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার এক বিষাক্ত প্রবণতা।

এ ছাড়া ই-সিগারেটকে অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য মাদকের ‘গেটওয়ে’ বা প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর মাধ্যমে তরুণেরা পরবর্তীকালে প্রচলিত তামাকজাত পণ্যের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ফলে এটি ধূমপান নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে নতুন করে ভিন্ন পথে আসক্তির বিস্তার ঘটাচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট আরও উদ্বেগজনক। দেশে তামাক ব্যবহারের কারণে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে, যা মোট মৃত্যুর প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তামাকজনিত রোগের চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষতির ফলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা, পরিবার এবং জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিপুল চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নতুন নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার জনস্বাস্থ্যসংকটকে আরও গভীর করবে।

এই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, ই-সিগারেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অবিবেচনাপ্রসূত ও জনস্বাস্থ্যবিরোধী, অবৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত।



Source link