বিআইপির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ঢাকায় প্রায় ৬৯ শতাংশ জলাভূমি হারিয়ে গেছে। একই সময়ে ভূমির তাপমাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রবন্ধে বলা হয়, জলাভূমি কমে গেলে শুধু পানি ধারণক্ষমতাই কমে না; নগরে ‘তাপদ্বীপ’ প্রভাব বাড়ে, বর্ষার পানি জমে থাকে, জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বসবাসের পরিবেশ আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। এ পরিস্থিতিতে খালের দুই পাশে পরিবেশগত বাফার জোন রাখা, জলাভূমি সংরক্ষণ অঞ্চল ঘোষণা এবং নগর পরিকল্পনায় ‘নীল-সবুজ নেটওয়ার্ক’ বাধ্যতামূলক করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বিআইপি বলছে, খাল ও বিলের সঙ্গে শুধু নগর ব্যবস্থাপনা নয়, গ্রামীণ কৃষি ও মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকাও জড়িত। পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে বর্ষায় ফসল তলিয়ে যায়, আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকট দেখা দেয়।
প্রবন্ধে বাগেরহাটের বেদোখালী বিলে তিন কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে কৃষি উৎপাদন ও মৎস্য আহরণ দ্রুত বাড়তে পারে। পুনঃখননের পর ওই এলাকায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে আসে এবং কৃষক ও মৎস্যজীবীদের আয়ও বাড়ে।
