সম্ভবত এটা শুধু আবেগপ্রবণ মন্তব্য নয়, এখানে আরও কিছু রাজনৈতিক হিসাব আছে। কারণ, মের্ৎস এখনো পিছু হটেননি। রোববারের প্রাইমটাইম সাক্ষাৎকারেও তিনি তুলনামূলক নরম ভাষা ব্যবহার করলেও নিজের আগের মন্তব্য প্রত্যাহার করেননি।
এটি আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সামনে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ আসছে। জার্মান ঘাঁটি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে এবং ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সংখ্যা আরও ‘অনেক বেশি’ও হতে পারে।
একই সঙ্গে জার্মানিতে টমাহকসহ মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনাও বাতিল করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধচুক্তির অংশ ছিল।
ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত ইউরোপের নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি করছে। বিশেষ করে যখন রাশিয়া কালিনিনগ্রাদে পারমাণবিক সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে ইউরোপীয় রাজধানীগুলোকে হুমকির মুখে রেখেছে। ইউরোপ নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলছে, কিন্তু তা কার্যকর হতে আরও ৬-৮ বছর লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি ট্রাম্প ইউরোপীয় গাড়িশিল্পের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সরাসরি জার্মান অর্থনীতিকে আঘাত করবে।
