জুডিশিয়ারিকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গায় নিয়ে যেতে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এ দেশে আর শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ চাই না। আমরা চাই না কোনো বিচারকের নেতিবাচক আচরণের কারণে গোটা জুডিশিয়ারির ওপর মানুষের ক্ষোভ ফিরে আসুক।’
প্রধান বিচারপতির বাসভবন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আইন অঙ্গনসহ দেশের মানুষের কাছে এটি তীর্থস্থানের মতো সম্মানজনক জায়গা। এই প্রতিষ্ঠান যেন আর কখনো মানুষের ক্ষোভ, আক্রমণ বা অবমাননার প্রতীক না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আইনমন্ত্রী হিসেবে এখন নিজেকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুলিশ ও প্রশাসনের অনেকের চাকরি চলে গেছে ও অনেকে জেলে গেছেন। যাঁরা সন্ধ্যার পরে রাত ১২টা-১টায় মোমবাতি জ্বালিয়ে বিরোধী পক্ষকে দমন-পীড়নের জন্য বিচারকার্য সম্পাদন করেছেন, আইন মন্ত্রণালয় তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে—এটা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, কারা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কারণ, জনগণ আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাঁদের কাছে আমাদের জবাবদিহির বিষয় আছে।’
