মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন হৃদয় হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক ডা. এস এম এফ নিরব হোসেন, ডা. সিরাজুল, ওয়ার্ড বয় শহিদ, আশিক, সামিউল, মশিউর রহমান লাভলু এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার, রিসেপশনিস্ট জুনায়েদসহ কয়েকজন।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে রেফার করার পর জিন্নাত আলীকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ করা হয়, হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় শহিদ বাদীর বাবাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে পরীক্ষা করার নাটক করেন এবং জানান যে তাঁর হার্টে নয় বরং মাথায় সমস্যা। সেখানে আইসিইউ খালি নেই বলে ফুসলিয়ে রোগীকে শ্যামলীর হৃদয় হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।



Source link