১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম ক্লাবে পরীক্ষামূলক চা–বাগান দিয়ে এ অঞ্চলে চায়ের ইতিহাস শুরু হয়। এরপর সিলেটের মালনীছড়ায় ১৮৫৭ সালে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা চাষ শুরুর পর নতুন নতুন বাগান গড়ে তোলা হয়।

এই চা ছিল রপ্তানিনির্ভর পণ্য। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন হতো বেশি। উদ্বৃত্ত চা রপ্তানি হতো বিদেশে। চাহিদা বাড়তে থাকায় ধীরে ধীরে রপ্তানি কমতে থাকে। উৎপাদন দিয়ে চাহিদা মেটাতে না পেরে দেড় দশক আগে শুরু হয় চা আমদানি। এই আমদানি একসময় বছরে কোটি কেজি ছাড়িয়েছিল।

সেখান থেকে শুরু হয় সরকার–উদ্যোক্তাদের নানামুখী চেষ্টা। এর ফলে দেশের চা উৎপাদন ৬–৭ কোটি কেজি থেকে বেড়ে ৯–১০ কোটি কেজিতে পৌঁছায়। তিন বছর ধরে গড়ে ৯ কোটি ৭০ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়ে আসছে। নানা উদ্যোগে ভালো দামও পাচ্ছেন উৎপাদকেরা।

এ বিষয়ে শাহ মঈনুদ্দিন হাসান বলেন, অবৈধভাবে বাজারজাত হওয়া চায়ে কোনো শুল্ক–কর দিতে হয় না। অন্যদিকে নিলাম থেকে কেনা চায়ে সরকারকে প্রায় সাড়ে ১৭ শতাংশ রাজস্ব দিতে হয়। ফলে বৈধ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন। তাঁর মতে, সরকারের রাজস্ব সুরক্ষা ও বৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে অবৈধ চা বাজারজাতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।



Source link