সভায় ইমরান হাসান বলেন, তিন থেকে চারটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কাছে বেকারি খাত চলে গেছে। তারা রেস্তোরাঁ ব্যবসাও শুরু করেছে। রপ্তানির নামে তাঁরা বন্ড সুবিধায় চিনি ও গুঁড়া দুধের মতো কাঁচামাল নিয়ে এসে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। প্যাকেটজাত করে সুগন্ধি চাল বিক্রি করছে ১৪০ টাকায়, কিন্তু কৃষক টাকা পাচ্ছে না। কারণ, দাদন দিয়ে আগেই তাঁরা চাল কিনে নিচ্ছে। এভাবে ২০ হাজারের বেশি চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে সমাজে হানাহানি শুরু হবে।

একই সঙ্গে ভ্যাট বৃদ্ধির চাপ ও প্রশাসনিক হয়রানির কারণে ব্যবসা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ইমরান হাসান। তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার রেস্তোরাঁ থাকলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসেবে ভ্যাট নিবন্ধিত রেস্তোরাঁর সংখ্যা মাত্র ১০ হাজার। আমরা চাই, সবাই ভ্যাটের আওতায় আসুক। আবার ব্যবসা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমলেও তিনগুণ ভ্যাট দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে।



Source link