পটিয়ার আশিয়া ইউনিয়নের মল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এমদাদুল ইসলাম ছিলেন মৃত আবদুল মোমিনের দ্বিতীয় ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। পরিবারের আদরের সন্তান। মায়ের সবচেয়ে বেশি স্নেহ পাওয়া ছেলেও ছিলেন তিনি। সংসারের নানা কাজে যাঁকে সবার আগে ডাকা হতো।
এমদাদুলের মামাতো ভাই কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের দিন বিকেলে এমদাদুল বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে কোরবানির মাংস আনতে গিয়েছিল। রাতে মাংস নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। আমরা কল্পনাও করিনি, কয়েক ঘণ্টা পর তার মৃত্যুর খবর শুনতে হবে। ’
কামরুল বলেন, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ পর এমদাদুলের মুঠোফোন থেকে কল আসে। তখন জানানো হয়, ভাই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। খবর পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যেতে যেতে সব শেষ।
