পুতিন বলেন, ‘এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ইউক্রেনীয় পক্ষ আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামাতে চায়। কিন্তু আমাদের দরকার সমঝোতা। তা ছয় মাসের জন্য নয়, তিন মাসের জন্যও নয়, বরং দীর্ঘ মেয়াদে।’
পুতিন আরও বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কাজ করতে ও কিছু সমাধান বের করতে দিন। এরপর আমরা বৈঠকে বসতে পারি।’
পুতিন বলেছেন, রাশিয়া যে লক্ষ্যগুলো নির্ধারণ করেছে, সেগুলো অর্জিত হলেই শুধু যুদ্ধের অবসান হবে। তিনি বলেন, ‘সামরিক অভিযান একদিন না একদিন শেষ হবেই। এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেটি তখনই শেষ হবে, যখন আমরা নিজেদের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে পারব।’
রাশিয়ার দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো, ইউক্রেনকে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের চেষ্টা থেকে সরে আসতে হবে।
তবে কিয়েভ কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয়। ইউক্রেনের যুক্তি, মস্কোকে কোনো ধরনের ছাড় দিলে ভবিষ্যতে তারা আবারও আগ্রাসন চালাতে উৎসাহিত হবে। এ ক্ষেত্রে তারা স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আট বছর পর রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার হামলা শুরু করেছে।
