আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও ডিজিটাল বিশ্লেষণে ‘বি কোম্পানি’র শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য মিলেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

ডিবির উপপুলিশ কমিশনার আরও বলেন, খুলনা মহানগরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা কিংবা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং নগরবাসীর সহযোগিতায় তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনায় অপরাধের বেশির ভাগ ঘটনায় ঘুরেফিরে নয়টি সন্ত্রাসী গ্রুপের নাম এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও অদক্ষতার সুযোগেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী হয়েছে। এ নিয়ে আজ প্রথম আলোয় ‘তারা প্রকাশ্যে খুন করে, প্রচারণা চালায়, দোয়া চায় ফেসবুকে’ শিরোনামে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।



Source link