জার্মানির স্কোয়াডে আরও রয়েছেন সিয়েরা লিওনীয় শিকড়ের অ্যান্টোনিও রুডিগার, আইভরি কোস্টীয় ঐতিহ্যের জোনাথন তাহ, সেনেগালীয় শিকড়ের লেরয় সানে এবং সেনেগালীয়-ফিনিশ মিশ্র ঐতিহ্যের মালিক থিয়াও। এঁরা যেন জার্মানির দলে বৈচিত্র্য ও বৈশ্বিক সংযোগের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন।
লামিনে ইয়ামাল স্প্যানিশ ফুটবলের সাম্প্রতিক বিস্ময় এবং বার্সেলোনার উদীয়মান সুপারস্টার। নিরক্ষীয় গিনির মা ও মরক্কোর বাবার সন্তান এই তরুণ উইঙ্গার তাঁর অসাধারণ ড্রিবলিং, দুঃসাহসিকতা এবং পরিপক্বতায় অল্প বয়সেই ইউরোপের সেরা প্রতিভাদের একজন হয়ে উঠেছেন। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট তাঁর বিশ্বকাপ স্বপ্নকে হুমকিতে ফেলে দিয়েছিল। তবে প্রথম কয়েকটা ম্যাচে হয়তো তিনি নামবেন বদলি হিসেবে, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
২৬ সদস্যের বেলজিয়াম দলের ৮ জনই আফ্রিকার বংশোদ্ভূত। এর মধ্যে আমাদু ওনানা প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম শক্তিশালী মিডফিল্ডার। সেনেগাল ও ক্যামেরুনীয় বংশোদ্ভূত এই খেলোয়াড় তাঁর অসাধারণ শারীরিক শক্তি, বল কাড়ার দক্ষতা এবং মাঠে আধিপত্য বিস্তারের জন্য পরিচিত। তিনি আধুনিক ফুটবলের আদর্শ বক্স-টু-বক্স মিডফিল্ডারের উদাহরণ। আফ্রিকার রক্তের ধারা নিয়ে বেলজিয়াম দলে আরও আছেন রোমেলু লুকাকুসহ ৬ ফুটবলার।
ইংল্যান্ড দলে জুড বেলিংহাম, বুকায়ো সাকাসহ ১২ জনের শরীরে বইছে আফ্রিকার রক্ত। এই বিশ্বকাপে কানাডা দলে যে বড় তারকা আছেন, তাঁর জন্ম ঘানার শরণার্থীশিবিরে। সেই আলফন্সো ডেভিস এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম লেফটব্যাক এবং বায়ার্ন মিউনিখের তারকা।
