২০০০-এর দশক থেকে শুরু হয় নতুন যুগ—যেখানে আসে লুইস ফিগো, রুই কস্তা এবং পরে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু এত প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপ জয় এখনো অধরা।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের স্কোয়াডকে অনেক বিশেষজ্ঞ দেশটির গোল্ডেন জেনারেশন হিসেবে দেখছে। সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দলগুলোর অন্যতম। ব্রুনো ফার্নান্দেসের নেতৃত্বে মিডফিল্ড ক্রিয়েটিভিটি। বার্নার্দো সিলভা ও ভিটিনহার মতো টেকনিক্যাল মাস্টার। রুবেন দিয়াসের মতো বিশ্বমানের ডিফেন্ডার। রাফায়েল লেও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো রামোস ও অভিজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে আক্রমণভাগ। এই দলটি শুধু নামের দিক থেকেই নয়, বরং গতি, স্কিল এবং ট্যাকটিক্যাল গভীরতায় অত্যন্ত শক্তিশালী।
২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের সবচেয়ে শক্তির দিক হলো বিশ্বমানের মিডফিল্ড। ভিটিনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, বার্নার্দো সিলভা এবং জোয়াও নেভেস—এই লাইনআপ বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ গঠনে বিশ্বের সেরা পর্যায়ের। রাফায়েল লেওর গতি, ফেলিক্সের ক্রিয়েটিভিটি এবং রামোসের ফিনিশিং—সব মিলিয়ে আক্রমণভাগেও রয়েছে বৈচিত্র। রুবেন দিয়াসের নেতৃত্বে ডিফেন্স লাইন স্থিতিশীল এবং অভিজ্ঞ।
