নিজে ভেটেরিনারি চিকিৎসক না হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারেন সালাহউদ্দীন মামুন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রাথমিক চিকিৎসা দিই। পাউডার, ভায়োডিন—যা পারি করি। প্রয়োজনে ক্লিনিকে নিয়ে যাই।’ বর্তমানে তাঁর বাসায় তিনটি চিল পাখি চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া দোয়েল, মাছরাঙা, বকসহ নানা পাখিকেও তিনি সুস্থ করে আবার প্রকৃতিতে ছেড়ে দেন। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে তাঁর কাজ আরও বেড়ে যায়। কারণ, তখন হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় প্রাণীগুলো খাবার পায় না।
রান্না থেকে শুরু করে আহত প্রাণীর চিকিৎসা—সবই হয় সালাহউদ্দীন মামুনের বাড়িতে হয়। বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন ছোট একটি পাখির রেসকিউ সেন্টার। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা আপত্তি করলেও এখন তাঁরাই বড় সহায়। তাঁর ছোট ভাই খাবার রান্না ও বিতরণে সাহায্য করেন। স্ত্রী, মা ও শাশুড়িও রান্নার কাজে হাত লাগান।
এই কাজের জন্য শুরুতে কারও কাছে সাহায্য চাননি সালাহউদ্দীন। নিজের আয়ের একটি অংশ থেকে খরচ চালিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, তাঁর একটি সাদা ইঁদুরের খামার আছে, যেখান থেকে গবেষণার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হয়। সেই আয়কে তিন ভাগে ভাগ করেন—এক ভাগ নিজের জন্য, এক ভাগ খামারের জন্য, আরেক ভাগ প্রাণীদের জন্য।
