ঐশী বলেন, ‘সাইদুর রহমান স্যার বরাবরই এ রকম আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। অনুষ্ঠানটি ছিল একেবারে হৃদয়ছোঁয়া। ঋতুবৈচিত্রে৵র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই আয়োজন আজ আমার মন ভালো করে দিয়েছে। বন্ধুত্বের সঙ্গে একটা মিলনমেলা হয়েছে। আজকের দিনের স্মৃতিগুলো অনেক সুন্দর অনুভূতির জন্ম দিয়েছে, যা অনেক দিন মনে রাখার মতো।’
একই বর্ষের শিক্ষার্থী শ্রমণা সেনও নীল শাড়ি পরে এসেছিলেন। তাঁর বাড়ি নাটোরে। তিনি রাজশাহী শহরে ছয়জন মিলে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাঁরও শাড়ি কাছে ছিল না। অনুষ্ঠানে নীল শাড়ি পরতে হবে, এ কথা শুনে তিনিও মাকে নীল শাড়ি প্রস্তুত করে রাখতে বলেছিলেন; আর খুঁজছিলেন নাটোর থেকে আজ রাজশাহীতে কে আসেন!
কাকতালীয়ভাবে শ্রমণা জানতে পারেন, তাঁর পাশের কক্ষের দিদি প্রীতি বসাক নাটোরে রয়েছেন এবং আজকেই রাজশাহীতে আসবেন। তিনি ফোন করে শাড়িটা আনার জন্য অনুরোধ করেন। শ্রমণা সেন জানান, শাড়িটা হাতে পেয়ে যারপরনাই আনন্দ পেয়েছেন। অনুষ্ঠানে শ্রমণা সেন দুটি গান গেয়েছেন— ‘আজি ঝরো ঝরো বাদরদিনে’ ও ‘মন মোর মেঘেরও সঙ্গী,…’
