একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা পাউবোর প্রধান ফটক ঠেলে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় দুই মিনিট ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিক্ষোভকারী এ কে এম নুর হোসেন, মো. মুনসুর, আবদুল মোতালেব ও আমজাদ বলেন, মেঘনা নদী যেভাবে ভাঙছে, তাতে চলতি বর্ষাতেই শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের অবশিষ্ট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। হুমকির মুখে আছে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধও। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহর প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। ইতিমধ্যে কয়েক দফা ভাঙনে মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছে। এলাকার অধিকাংশ মানুষ গরিব ও হতদরিদ্র। আর কোনো সহায়-সম্বল নেই। তাই তাঁরা স্থায়ী সমাধান হিসেবে দ্রুত সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের দাবি জানাচ্ছে।



Source link