পুলিশ সুপার আরও জানান, জেলা প্রশাসকের ও পুলিশ সুপারসহ সরকারি ছয়টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় আদিতমারী থানার ওসি মো. নাজমুল হককে জেলা পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়।
লালমনিরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজিব কুমার সাহা জানান, এনডিসি আল আমিনসহ পুলিশের ৩০ থেকে ৩৫ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সবাই আশঙ্কামুক্ত। তাই কেউ ভর্তি হননি।
জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান বলেন, ‘পুলিশ সুপারের ফোন পেয়েই বিজিবিকে পাঠানো হয়। এর পরেই জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, আমি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনকে শান্ত করার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন আটক দুজনকে নিয়ে নিয়ে যেতে চায়। এরপর আসামি ও আহত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে আসার সময় কিছু লোক বাঁশ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে আমার ও পুলিশ সুপারের গাড়িসহ ছয়টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আল আমিনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
