আসামি মিজানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রোববার রাতে আসাদুলকে কৌশলে নির্জন এলাকায় ডেকে নিয়ে কিল-ঘুষি মেরে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা নির্যাতনের একপর্যায়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করে। নির্যাতনের চিহ্ন মুছে ফেলতে তারা মোটরসাইকেল থেকে পেট্রল নিয়ে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। গ্রেপ্তার তিনজন আসাদুলকে মারধরের পরিকল্পনায় অংশ নিলেও হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি। হত্যায় সাত–আটজন জড়িত ছিল।
আসাদুলের চাচা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসাদুলের মতো ভালো ছেলে এলাকায় খুব কমই আছে। অথচ তাকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি চাই।’ তিনি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে পুলিশ আসাদুলের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সন্ধ্যার আগে তার নিজ গ্রামে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ বলেন, সোমবার রাতে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, লোহার রড ও রক্তমাখা হেলমেট আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ।
