অনেকে মনে করেন, মডেল খারাপ বলে প্রজেক্ট ফেল করে। আসল চিত্রটা উল্টো। ১৪০টা এন্টারপ্রাইজ এআই ইমপ্লিমেন্টেশন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মাত্র ২৩ শতাংশ ফেইলিউর হয় মডেল পারফরম্যান্স বা ডেটা কোয়ালিটির কারণে। বাকি ৭৭ শতাংশ ফেল করে স্ট্র্যাটেজি, গভর্ন্যান্স আর চেঞ্জ ম্যানেজমেন্টের কারণে। মানে টেকনোলজি ঠিকই আছে। কিন্তু কোথায় লাগাব, কীভাবে লাগাব, কোন প্রসেসের কোন ধাপে লাগাব—এই বোঝাপড়ার অভাবেই কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে।

একটা উদাহরণ দিই। একটা কনটাক্ট সেন্টারে সামারাইজেশন ইঞ্জিন বানানো হলো, ৯০ শতাংশ অ্যাকুরেসি। কিন্তু সুপারভাইজাররা অটোজেনারেটেড নোটে ভরসা পাননি। এজেন্টদের আগের মতোই ম্যানুয়ালি টাইপ করতে বললেন। পুরো সিস্টেম বিপদে পড়ে গেল। প্রজেক্ট ফেল, টাকাও গেল।

ডেলোয়েট–এর ২০২৬ সালের ‘স্টেট অব এআই’ রিপোর্টে ৩ হাজার ২০০-এরও বেশি বিজনেস লিডারের জরিপে দেখা গেছে মাত্র ২৫ শতাংশ কোম্পানি তাদের ৪০ শতাংশ বা তার বেশি এআই এক্সপেরিমেন্ট প্রোডাকশনে নিয়ে যেতে পেরেছে। বাকিগুলো পাইলটেই আটকে আছে। এ সমস্যার একটা নাম আছে ‘পাইলট ফ্যাটিগ’। একটার পর একটা পাইলট করা হচ্ছে, কিন্তু স্কেল আপ হচ্ছে না।



Source link