নাদের হাবিবি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রণালিটি খোলা রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই, এ বিষয়ে আপাতত তারা নমনীয় থাকতে পারে।’
তবে দীর্ঘ মেয়াদে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন হাবিবি। তাঁর ভাষ্য, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত ইরানকে কোনো ধরনের ফি বা টোল আদায়ের সুযোগ দেবে না বলেই মনে হয়।’
নাদের হাবিবি আরও বলেন, ইরানকে টোল পরিশোধ করা জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও নিতে পারে।
তবে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ সহজে ছাড়বে না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এটি তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার।
বিমা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পথে আরেকটি বড় বাধা হলো বিমা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যুদ্ধঝুঁকি সংক্রান্ত বিমার কিস্তি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে তা এতটাই বেশি হয়ে যায় যে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু বিমা প্রতিষ্ঠান আবার এ ধরনের বিমা পুরোপুরি বন্ধও করে দেয়।
ডেনমার্কভিত্তিক জিসকে ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ ইকুইটি বিশ্লেষক হায়দার আনজুম বলেন, সরাসরি হামলা না হলেও বিমার অভাবই জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিতে পারে।
