ফাঁদ ৫: সাজানো ইমার্জেন্সি বা ভুয়া বিপদ
বোর্ডিং গেটের কাছে হয়তো এক নারী অঝোরে কাঁদছেন—তিনি তাঁর ভারী ব্যাগটা তুলতে পারছেন না, এদিকে ফ্লাইট ছাড়ার সময় হয়ে গেছে। অথবা একজন বয়স্ক মানুষের হুইলচেয়ার ভেঙে গেছে, একটা ছোট জিনিস ধরার জন্য তার খুব সাহায্য দরকার।
এগুলো পুরোটাই হয়তো তাদের সাঁজানো নাটক বা রিহার্সাল করা পারফরম্যান্স। এই ভুয়া বিপদগুলোকে এত নিখুঁতভাবে অভিনয় করা হয় যে তোমার কাছে একদম সত্যি মনে হবে এবং তুমি সাহায্য করতে এগিয়ে যাবে।
বাঁচার উপায় কী
মনে রাখবে, বিমানবন্দরে কেউ তোমার কাছে সাহায্য চাইলেই সে যে খুব বিপদে পড়েছে, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। অচেনা মানুষ তোমার জন্য বিশাল ঝুঁকির কারণ হতে পারে। যদি কেউ তোমাকে কিছু ধরতে বলে, তবে এই নিয়মগুলো মেনে চলবে:
১. অচেনা কারও সঙ্গে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখ: অচেনা কেউ তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে কয়েক কদম পিছিয়ে গিয়ে শারীরিক দূরত্ব তৈরি করো।
২. হাত ওপরে ওঠাও: তোমাকে কিছু ধরতে অনুরোধ করলে দুই হাত ওপরে তুলে (সারেন্ডার করার মতো) বুঝিয়ে দাও যে তুমি জিনিসটা নিচ্ছ না। এতে অপরজন চাইলেও জোর করে তোমার হাতে কিছু ধরিয়ে দিতে পারবে না।
৩. সরাসরি ‘না’ বল: অচেনা কেউ তোমায় কোনো ব্যাগ/জ্যাকেট রাখতে দিতে চাইলে সরাসরি শক্ত গলায় বলো, ‘জিনিসটা মাটিতে রাখুন।’
এরপরও যদি তারা জোর করে, সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীকে ডাকতে পার। এ ক্ষেত্রে তোমাকে কিছুটা অভদ্র মনে হলেও, হয়তো বড় কোন বিপদ থেকে নিরাপদ থাকতে পারবে।
