তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বাসাটিতে গাড়ির যন্ত্রাংশের কিছু কমপ্রেসিং ইউনিট রাখা ছিল, যেগুলোতে উচ্চ চাপে গ্যাস সংরক্ষিত থাকে। এ ছাড়া গাড়িতে রং করার কাজে ব্যবহৃত কিছু রাসায়নিক পদার্থও সেখানে মজুত ছিল। ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, রাসায়নিক পদার্থ কিংবা যন্ত্রাংশ—এসবের যেকোনো একটি থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়ে থাকতে পারে।
ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির সূত্রে জানা গেছে, ভবনটিতে জরুরি নির্গমন সিঁড়ি, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং ফায়ার সেফটি প্ল্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা ছিল না। ঘটনাস্থলে মালিকপক্ষের কোনো প্রতিনিধিকেও পাওয়া যায়নি। ভবনের অনুমোদন ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কাগজপত্র তদন্ত কমিটির কাছে জমা দিতে মালিকপক্ষকে বলা হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই ভবন মালিকপক্ষের লোকজন কোনো ধরনের সহযোগিতা করছেন না। ঘটনার পরদিনই সব দরজা ঠিক করে ওই ফ্ল্যাটে তালা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে আলামত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভবনের তত্ত্বাবধায়ক মো. সম্রাট। তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটির কেউ এলে তালা খুলে দিতে হয়, সে কারণে চাবি আমাদের কাছে। আলামত সরালে তো সিসিটিভিতে দেখা যাবে।’
