রুবিও আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বাংলাদেশ তার ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দেয়। একটি মুক্ত, অবাধ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্যে এ দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

মার্কো রুবিও জানান, আগামী দিনে দুই দেশের জনগণের স্বার্থে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। বাংলাদেশের এ বিশেষ দিনে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।



Source link