শিল্পী ওয়াকিলুর রহমান বলেন, এই প্রদর্শনীতে সুলতানার স্বপ্নের অনুকরণে কাজের ধারা ঠিক করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পীরা নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সঙ্গে সমকালীন শিল্পীদের আরও কাজের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এই শিল্প প্রদর্শনী নিয়ে প্রকাশনা বের করার দাবিও তুলে ধরেন এই শিল্পী।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন শিল্পী দীপ্তি দত্ত, সাজিয়া রহমান সন্ধ্যা, সালমা জাকিয়া বৃষ্টি, ফারজানা আহমেদ ঊর্মি, সুমনা আক্তার প্রমুখ।
‘সুলতানার স্বপ্নভূগোল’ প্রদর্শনীতে ছিল সুলতানার স্বপ্নের নানা পুনঃকল্পনা। এর মধ্যে শিল্পী ফারজানা আহমেদ ঊর্মির ‘সুলতানার স্বপ্নভূগোল’, রুক্সিমিন চৌধুরীর ‘যেসব ঘটনা নিশ্চিতভাবে ঘটেনি’, দীপ্তি দত্তের ‘স্বপ্নের বাইরে থেকে’, জাফরিন গুলশানের ‘আশা নিরবধি’, জয়তু চাকমার ‘সুলতানার স্বপ্ন কোথায় বিরাজমান’, সালমা আবেদিন পৃথীর ‘অদৃশ্য শ্রম’, সুমনা আক্তারের ‘স্বপ্ন’, রাজীব দত্তের ‘সুলতানাদের আকাশের আলো ও আঁধার’, ইফাত রাজোয়ানা রিয়ার ‘লেডিল্যান্ডে প্রবেশ: একটি নারীবাদী স্বপ্ন ইনস্টলেশন’ প্রদর্শিত হয়।
