৪. অননুমেয় চ্যাম্পিয়ন
পোলিশ লিগে কে চ্যাম্পিয়ন হবে, তা আগাম অনুমান করা খুবই কঠিন। লা লিগা, প্রিমিয়ার লিগ বা বুন্দেসলিগায় যেভাবে দুই-তিনটি দলের নাম অনায়াসে বলে দেওয়া যায়, সেটা এক্সট্রাক্লাসায় করা যায় না। কারণ, প্রায় প্রতিবছরই এখানে চ্যাম্পিয়ন বদলে যায়। সর্বশেষ সাত মৌসুমে যেমন ৫টি ভিন্ন দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে (পোজনান ও ওয়ারশ দুবার করে, একবার করে বিয়াউইস্তক, চেঁস্তোখোভা ও গ্লিউইস)।
অর্থাৎ বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ, লিগ আতে পিএসজি বা লা লিগায় রিয়াল বা বার্সার যে আধিপত্য দেখা যায়, তেমন কিছু এই লিগে নেই। এখানে একচেটিয়া আধিপত্য কারও নেই।
৫. মহাদেশেও উত্থানের পথে
পোলিশ ক্লাবগুলো ফুটবলের উন্নতি এখন ইউরোপীয় মঞ্চে দৃশ্যমান হচ্ছে। গত মৌসুমে জাগওয়েমবিয়ে বিয়াওয়িস্তক এবং লেগিয়া ওয়ারশ উয়েফা কনফারেন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে। উয়েফার তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতাটিতে সর্বশেষ মৌসুমে খেলেছে চারটি পোলিশ ক্লাব। ২০২১-২২ মৌসুমে কনফারেন্স লিগ শুরু হওয়ার পর একমাত্র ইংলিশ ক্লাবগুলো ছাড়া আর কোনো দেশের ক্লাব পোলিশ ক্লাবগুলোর চেয়ে বেশি জয় পায়নি (পোল্যান্ড, ইতালি ও বেলজিয়াম—প্রতিটিরই জয় ৩৭টি করে, যেখানে ইংল্যান্ডের জয় ৪১টি)।
