সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘টাকা দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে আমাদের সুন্দরবনের গভীর খাল থেকে একটি নৌকায় তুলে দেওয়া হয়। পরদিন শুক্রবার সকালে আমরা লোকালয়ে পৌঁছাই। সাত দিন আমরা প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম।’ জেলেরা জানান, এখনো এনামুল হোসেন, হযরত আলী ও কামাল শেখ বনদস্যুদের হাতে জিম্মি।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল রহমান বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগে ৯ জেলেকে অপহরণের খবর বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। এর মধ্যে ৬ জন বাড়ি ফিরে এসেছেন। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনায় অনেক সময় জেলেরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে চান না। তাঁরা নিজেরাই বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। বেশি জানাজানি করলে সুন্দরবনে প্রবেশ করলে তাঁদের আবার ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হবে। তবে বিষয়টি জানার পর আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।’
