দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই অভিযোগের বিষয়টি ৩১ মার্চ তাঁর দৃষ্টিগোচর করা হয় বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, এর আগে অভিযোগটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দাখিল হয়েছিল। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর অভিযোগের বিষয়ে আইনজীবী আবুল হাসানের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তবে তাঁর দেওয়া জবাব সন্তোষজনক হয়নি।
এর আগে ২ এপ্রিল সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আহমদ মুসাননা চৌধুরী ও মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তাঁরাও বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট নিয়োগ পেয়েছিলেন।
ওই দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের (এএজি) পদত্যাগপত্র দেওয়ার আগপর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এএজির সংখ্যা ছিল ২৩০। আর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ১০৩।
