ওই আইনজীবীরা বলেন, ‘মামলায় ঘটনার তারিখ ১৮ জুলাই, ২০২৪। কিন্তু মামলাটি করা হয় ২০২৫ সালের ২৫ মে, অর্থাৎ ১০ মাস ৭ দিন পর মামলাটি করা হয়েছে।’

যিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, শিরীন শারমিন গুলি করেননি।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আরও বলেন, ঘটনার সময় শিরীন শারমিন জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। তিনি সাংবিধানিকভাবে একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অন্যায় করার অভিযোগ নেই। পরে তিনি নিজেই পদত্যাগ করেছেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সরাসরি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

পেশায় আইনজীবী শিরীন শারমিনের ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যপদ থাকার কথা তুলে ধরে এবং নারী হিসেবেও তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন আসামিপক্ষের কৌঁসুলিরা।

শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন—দুটোই নামঞ্জুর করে শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর ৩টা ২০ মিনিটে শিরীন শারমিনকে পুলিশ আদালতের হাজতখানায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।



Source link