ছোট্ট এই জীবনে রেখে গেছেন একগুচ্ছ সাহিত্যকর্ম। একাধারে কবি ও সৃজনশীল লেখক, সাংবাদিক হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে কলাম লেখক হিসেবে সমকালীন বিষয়ে তাঁর বিশ্লেষণধর্মী লেখাগুলো পাঠক মহলে বেশ সমাদৃত ছিল। তিনি বাম ধারার যুব গণসংগঠন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
ইমন ভাই দেখলেই ডাক দিতেন, গল্প শুরু করে দিতেন। সেদিন ভেবেছি, আবার তো দেখা হবেই, তখন গল্প করব। কিন্তু মানুষ ভাবে এক, হয় আরেক…। এখন খুব আফসোস হচ্ছে। বুঝতে পারিনি, সেই দেখাটাই যে ওনার সঙ্গে শেষ দেখা। আর কোনো দিন ভাইয়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে গল্প হবে না। খোঁজখবর নেওয়া হবে না।
মাঝখানে একদিন হঠাৎ নক দিয়েছিলেন। একটু রাগ করে বলেছিলেন, ‘আমাকে তো তোমরা এখন ডাকো না। বন্ধুসভায় অনেক দিন আসি না, নোয়াখালী এলে একদিন সময় করে আসব, আড্ডা দেব তোমাদের সঙ্গে।’
সেই আড্ডাটা আর হলো না…
সভাপতি, নোয়াখালী বন্ধুসভা
