অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী আবদুল খালেক বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে জানতে পারলাম, পাম্পে পেট্রল এসেছে। এ জন্য ভোরে ফজর নামাজ পড়ে এসে দেখি, সব বন্ধ। পরে গাড়ি রেখে বাজার থেকে ঘুরে আবার আসি। কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল এখনো তেল দেওয়ার খবর নেই। রাতে জানানো হয়ছিল, আজ সকাল নয়টায় দেবে। এখন শুনছি, বেলা ১১টায় দেবে।’
তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষার কারণে অফিসে যেতে দেরি হওয়ায় বেতন কাটার ঝুঁকি আছে বলে জানান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সানোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় আট কিলোমিটার দূর থেকে এসেছি। আমার অফিস সকাল ৮টায় শুরু। তেল নিতে এসে সাড়ে ৯টা পার করে দিলাম। দেরি হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ যদি বলে, “অফিসে দেরি করে এসেছেন, এ জন্য আপনার এক দিনের বেতন কর্তন করা হলো”, তাহলে করার কিছুই নেই। তাহলে এখন আমরা কোথায় যাব? অথচ পাঁচ কিলোমিটার যাওয়ার মতো তেল আমার নেই।’
ফসলের খেতে সেচ দিতে জ্বালানি তেলের জন্য তিন দিন ধরে ঘুরছেন তুষার হোসেন নামের এক কৃষক। তিনি বলেন, ‘গতকাল রাতে জানতে পারি, তেল রাতে আসছে, কাল সকালে দেবে। সকাল ৭টায় এসে দেখি, লম্বা লাইন। এখন কখন তেল দেবে, তা–ও জানতে পারছি না। এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি।’
