সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্দেশনায় বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটির সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আইনের কিছু ধারায় কৌশলে অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি তৈরি করার অপচেষ্টা করেছিল, যা শিল্প খাতে দীর্ঘ মেয়াদে শ্রম অসন্তোষের বীজ বপন করা হয় বলে বিকেএমইএ মনে করে। এতে শিল্পকারখানা ও শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। বিদেশি ক্রেতাগোষ্ঠীর মধ্যেও নেতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান নির্বাচিত সরকার সংশোধিত শ্রম আইনের কিছু ধারা সংশোধন করে পাস করলেও কিছু জায়গায় এখনো বিভ্রান্তি রয়ে গেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত, যা শ্রম অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিল্পকারখানায় শান্তিপূর্ণ উৎপাদনব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী শ্রমবিধি সংশোধন এবং পরবর্তী আইন সংশোধনের সময ওই সব অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি দূর করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছে বিকেএমইএ।
