সব মিলে কেমন খরচ হলো অনন্ত আম্বানির জন্মদিনে
২০২৬ সালে অনন্ত আম্বানির ৩১তম জন্মদিন উদযাপনে কোনো নির্দিষ্ট মোট খরচের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, উৎসবের চেয়ে সেবামূলক ও ধর্মীয় কাজে ১০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হয়েছে
মূল খরচের ক্ষেত্রগুলো ছিল নিম্নরূপ:
ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক অনুদান:
অম্বাজি মন্দির: গুজরাটের অম্বাজি মন্দিরে তীর্থযাত্রীদের আবাসন ও খাবারের জন্য ৩২.৫০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে
দ্বারকা গেস্ট হাউস: দ্বারকায় আধুনিক তীর্থযাত্রী নিবাস তৈরির জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে
কেরালায় মন্দির সংস্কার: কেরালাজুড়ে ৯টি প্রাচীন মন্দির সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য প্রায় ২২.৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে
সোমনাথ মন্দির: মন্দিরে এক বছর ভক্তদের জন্য বিনামূল্যে খাবার বা প্রসাদ নিশ্চিত করতে ৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে
সালাংপুর গোশালা: গুজরাটের সালাংপুরে একটি অত্যাধুনিক গোশালা তৈরির জন্য ১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে
সামাজিক উদ্যোগ ও উৎসব:
শিক্ষা ও শিশু কল্যাণ: জামনগরের ৩,০০০ শিশুর জন্য খাবার, বই-খাতা এবং ৩০টির বেশি স্কুলের পুরো এক বছরের শিক্ষকতা খরচ বহন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
জাতীয় গরু সেবা: ভারতজুড়ে ১ লাখ গরুকে ‘ছাপ্পান্ন ভোগ’ খাওয়ানোর মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে
ভান্তারা ইউনিভার্সিটি: জামনগরে বিশ্বের প্রথম বন্যপ্রাণী ও ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ভান্তারা ইউনিভার্সিটি’-র শিলান্যাস করা হয়েছে, যা আম্বানিদের একটি বড় মাপের বিনিয়োগ
