আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে দরবারের সামনে একটি বাড়িতে বসে জামিরনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, বাবাকে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসা হয়। প্রথম যখন বাবাকে বের করে, তখন বাবা হাতজোড় করেছিল। কথা বলার সুযোগ চেয়েছিল। কিন্তু এলোপাতাড়ি যেভাবে মারছিল, কেউ তাঁর কথা শোনেনি। নিচে নামিয়ে যখন রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মাথায়, মুখে, নাকের ওপর কোপাচ্ছিল, তখন একবার শুধু বলতে শোনা গেছে ‘ইয়া মুরশিদ’ এরপর আর কোনো কথা বাবা বলতে পারেননি।
জামিরন আরও বলেন, যারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসেছিল, তারা সংখ্যায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন। বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের এর মধ্যে। কেউ কেউ বড় ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘তাদের আসা দেখে আমরা ভেবেছিনু হয়তো কোনো আলোচনা করতে আসছে। কিন্তু তারা ভাঙচুর, হামলা, বাবাকে মেরে ফেলবে এটা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝছি তারা প্রস্তুতি নিয়ে আইছিল। পরিকল্পনা করে বাবাকে হত্যা করেছে।’
