ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা মাইনুলকে ধাওয়া করে আটক করে। উত্তেজিত জনতা তাঁকে পিটুনি দিয়ে দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং জনরোষ থেকে মাইনুলকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেন।

অভিযুক্ত মাইনুলের বাবা কামাল হোসেন বলেন, ছেলের জন্মের এক বছর পর তাঁর মা মারা যায়। দাদা-দাদির কাছে মানুষ হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু নেশা ও অত্যাচার করার কারণে বউ চলে গেছে। আদালতে যৌতুকের মামলা করেছে। তিনি ভিটা বিক্রি করে যৌতুকের টাকা পরিশোধ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। জমি বিক্রি করে ছেলেকে একটা ভ্যান কিনে দিয়েছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সেই ভ্যানও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ছেলেকে জিজ্ঞেস করলে বলেছে, চায়ের দোকানের কাছে রাখা ছিল, হারিয়ে গেছে। তিনি সকালবেলা লোকমুখে শুনতে পেয়েছেন, মামুনুর রশিদের দোকানে ঢুকে ক্যাশ বাক্স থেকে টাকা নেওয়ার জন্য খামচা দিয়েছিল।



Source link