রানীশংকৈল উপজেলা থেকে এক বন্ধুকে নিয়ে বাগান দেখতে এসেছেন ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, ‘গতবার এখানে এসে আঙুর খেয়েছিলাম—খুবই মিষ্টি ছিল। আরও বেশি ফলন হয়েছে শুনে আবার এলাম। মাচাজুড়ে এমন আঙুর সত্যিই দেখার মতো।’ আরেক দর্শনার্থী ফারুক হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে ছবি দেখে প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। এখানে এসে দেখলাম, আমাদের এলাকায়ও এভাবে আঙুর চাষ সম্ভব। আমিও চারা নিয়ে চাষ করার কথা ভাবছি।’
সম্প্রতি পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান আঙুরবাগান পরিদর্শনে যান। তিনি বলেন, আঙুর চাষে দোআঁশ মাটি, জৈব সারসমৃদ্ধ কাঁকর মাটি সবচেয়ে উপযোগী। আবুল কালাম দুই বছর ধরে আঙুর চাষ করছেন এবং ভালো ফল পাচ্ছেন। তবে ফল পরিপক্ব না হওয়ায় আঙুরের মিষ্টতা যাচাই করার সুযোগ হয়নি। এবার যাচাই করে দেখা হবে। তাঁর বাগানের আঙুর মিষ্টি হলে, অন্য চাষিদের মধ্যেও আঙুর চাষ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, আবুল কালামের বাগানে যে আঙুরের ফলন দেখা যাচ্ছে, তা আশাব্যঞ্জক। কৃষি বিভাগ তাঁর পাশে থাকবে।
