নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর সাবিরা সুলতানা বলেছিলেন, দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা নির্বাচনে কাজ না করায় তিনি পরাজিত হয়েছেন। স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে আঁতাত করে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছে। এরপর ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা সংবাদ সম্মেলন করে সাবিরা সুলতানার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। ওই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ। পারস্পরিক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাবিরা সুলতানা ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃত্ব মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে। এ কারণে অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নেয়। সে বিরোধ এখনো দৃশ্যমান।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর সাবিরা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরাসরি নির্বাচনে আমি হেরে গেছি, নাকি স্থানীয় বিএনপির নেতারা বিরোধিতা করে আমাকে হারিয়ে দিয়েছে, সে তথ্য–প্রমাণ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে রয়েছে। ত্যাগী হিসেবে দল আমাকে মূল্যায়ন করেছে। আমি দলের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
