প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, সোনালি আঁশের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে পাটবীজের মানোন্নয়ন ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা বীজের তুলনায় দেশি বীজের ফলন যাতে প্রতিযোগিতামূলক হয়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (BJRI) সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পাটচাষিরা যাতে পাটের ন্যায্য মূল্য পায় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পাটের দাম মণপ্রতি পাঁচ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা আগে তিন হাজার টাকা ছিল।

বিগত সময়ে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের অধীনে বিভিন্ন কারখানায় লুটপাট বা অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসামঞ্জস্য বা অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুব্রত শিকদার, যুগ্ম সচিব হাফসা বেগম, উপসচিব সাইফুল ইসলাম ও শাহদৎ হোসেন কবির এবং বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন শিকদার।



Source link