এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত রাজস্ব খাত সংস্কার কমিটির প্রধান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান রাজস্ব প্রশাসন দিয়ে এত বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন। তাই রাজস্ব খাতের সংস্কারের বিকল্প নেই, যা এই পর্যন্ত কোনো সরকারই ব্যাপকভাবে করেনি।
আবদুল মজিদ আরও বলেন, ‘এখন এনবিআর নীতি প্রণয়ন করে, আবার শুল্ক–কর আদায়ও করে। তাই তাদের জবাবহিদি নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না। শুল্ক–কর কর্মকর্তাদের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ আছে।’
ঘাটতি ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা
চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই–মার্চ) শুল্ক–কর আদায়ে ঘাটতি ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। আজ মঙ্গলবার এনবিআর রাজস্ব আদায়ের হালনাগাদ চিত্র প্রকাশ করেছে।
জুলাই-মার্চ সময়ে আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও আয়কর—এই তিন খাতের মধ্যে কোনো খাতেই লক্ষ্য অর্জন হয়নি।
গত ৯ মাসে এনবিআর সব মিলিয়ে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা আদায় করেছে। লক্ষ্য ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। তবে শুল্ক–কর আদায়ে প্রবৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ।
