সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত গাইন বলেন, ‘গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে খোকা ও তার পরিবার। খোকার বাবাকে ঘিরেই মূল সংকটের সূচনা হয়। সেই সঙ্গে তার বাবার অসুস্থতা পুরো পরিবারকে অর্থনৈতিক ও মানসিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। চরিত্র রাবেয়া, তিনি গৃহপরিসরের আবেগ, দায়িত্ববোধ ও বাস্তবতার প্রতীক। অন্যদিকে কিটকি চরিত্রটি তুলনামূলকভাবে আলাদা এক আবহ তৈরি করে। তার উপস্থিতি পরিবারে স্বাভাবিকতা ও জীবনের হালকা দিককে তুলে ধরলেও সেটি সামগ্রিক সংকটের বিপরীতে একধরনের বৈপরীত্য হিসেবেই কাজ করে। মন্টু চরিত্রটি এই ঘরোয়া পরিসরের বাইরে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। সব মিলিয়ে এই চরিত্রগুলো আলাদা আলাদা নয়, বরং তারা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে তৈরি করেছে এক জটিল সম্পর্কজাল।’

দপ্তর সম্পাদক আল্ রাইসা বলেন, ‘মানুষ কেবল বাহ্যিক নয়, সম্পর্কের ভেতরেও বন্দী হয়ে পড়ে; আর সেই অদৃশ্য বন্দিত্বই হয়ে ওঠে জীবনের প্রকৃত “শঙ্খনীল কারাগার”। এই বই যেন নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনের এক প্রতিচ্ছবি। লেখকের উপন্যাসটি সত্যিই মুগ্ধতার প্রতীক।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতি স্বর্ণকমল রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এম মাসুম বিল্যাহ, সহসভাপতি দীপু রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহা. রহমতুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক শাম্মি আক্তার, বন্ধু আনিকা অবনী, খোশ নসিবসহ অনেকে।



Source link