১২ বছর বয়সে তুমি কী করছিলে? ওহ্‌, তোমার বয়সই এখন ১২? বেশ তো, কী করে সময় কাটে তোমার? স্কুল, কোচিং আর ফাঁকে ফাঁকে একটু ভিডিও গেম খেলা? ওহ্‌, তুমি বিকেলে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলো? বেশ ভালো কথা। খেলাধুলা করা ভালো। কিন্তু তোমার বয়সী একজন কিশোর যে একটা আস্ত পারমাণবিক চুল্লি বানিয়ে ফেলেছে। পারমাণবিক চুল্লি কী, তা জানো না? এটা হলো একধরনের নিয়ন্ত্রিত আগুন। তবে এই আগুন কাঠ বা গ্যাসের নয়, পরমাণুর ভেতরে লুকিয়ে থাকা শক্তির। আমরা একে বলি নিউক্লিয়ার ফিউশন। মানে একটি ভারী পরমাণু ভেঙে দুই টুকরা হলে সেখান থেকে প্রচুর শক্তি বেরিয়ে আসে। এই কাজই করা হয় পারমাণবিক চুল্লিতে, খুব হিসাব করে এবং সাবধানে। এটা আসলে অনেক বড়দের কাজ, মানে বিজ্ঞানীদের। সেটাই কিনা করে ফেলেছে তোমার বয়সী কেউ!

তা–ও আবার তার নিজের ঘরে বানিয়ে ফেলেছে। বিজ্ঞানীরা এমন কাজ করতে বিশাল বিশাল ল্যাবরেটরি বানান, অনেক বিজ্ঞানী ও কর্মী যুক্ত থাকেন এর সঙ্গে। কিন্তু এই কিশোর কাজটি করে ফেলেছে একাই।



Source link